মা কালী শক্তি। ফটোগ্রাফি কাহিনী

 এই ছুট্ট কলাকৃতি চিত্র গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের সমাজের তিন বয়সী নারী চরিত্র যাদের সম্মান নিয়ে আজ সমাজের কিছু অবুঝ পাপীরা ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করে এবং এমন একজন বাবা বা দায়িত্ববান ব্যক্তিত্ব যে নেশার জন্যে নিজের পরিবারের সম্মান অন্যের হাতে তুলে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেনা তাদের চরিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

__________________

চরিত্র অবলম্বনে
উমা - Sumi Dey
কৃষ্ণা - Anamika Das 
ভবানী -  Arsita Kar
ধীরু - Liton Sinha
চঞ্চল - Nipesh Shekar Das
বন্ধুরা - DS Arjit Das , Rahul Das
__________________
কাহিনী ও পরিচালনায় - Sudipta Dey
রুপ সজ্জায় - Setu Dey
চিত্র গ্রহণে - Mɽ Satyaban
সাহায্যে - Saikat Deb

__________________

ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার এর মাধ্যমে আমাদের উৎসাহিত করবেন🔱



উমা একদিন বিকালে বসে তার ছুট্ট মেয়ে কৃষ্ণার চুল আছড়াচ্ছিল।


এমন সময় হঠাৎ উমার স্বামী ধীরু হাতে মদের বোতল নিয়ে এসে উপস্থিত হয় তাদের সামনে।



প্রথমে ধীরু মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় মাটিতে।


1, 2 দিন আগের কথা। উমা স্নান করছিল পুকুরের ঘাটে।


স্নান করে কলসি নিয়ে আসার সময়


তার পা চলছিল না, অভাবের সংসারে কি ভাবে জীবন কাটাবে তা নিয়ে কিছু দিন ধরে খুবই চিন্তিত সে



এমন সময় গ্রামের মোড়লের ছেলে চঞ্চল তার বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা মারছিল,



এমন সময় চঞ্চল ও তার বন্ধুদের কুনজর পড়লো উমার উপর


এবার চঞ্চল উমার দেহের ভোগলালসায় গ্রামবাসীদের কাছে উমার ঠিকানা জানতে চাইল বারবার।


যখন চঞ্চল জানতে পারল যে উমা হল ধীরুর স্ত্রী তখন চঞ্চল তার বন্ধুদের সাথে ধীরুর পথ আটক করলো।



নেশাগ্রস্ত ধীরু বুঝতে পারছে না কিছুই




ধীরু কে জবরদস্তি বসানো হলো


ধীরু কে এবার খুব মদ খাওয়ানো হলো



চঞ্চল উমাকে চাইল এক রাতের জন্য, কিন্তু ধীরু রাগ করে মুখ ঘুরিয়ে নিল



এবার কোন রাস্তা না দেখে চঞ্চল টাকার লোভ দেখালো এবং ধীরু টাকার লোভে সম্মতি দিয়ে দিল


সেদিন রাতে ধীরুকে বাইরে রেখে চঞ্চল ঘরে ঢুকলো এবং অসভ্য পিশাচের ন্যায় উমার ইজ্জতে হাত রাখলো, উমার ইজ্জত নষ্ট করার চেষ্টা করল


উমা নিজের ইজ্জত বাঁচাতে প্রাণপণ চেষ্টা করছে আর অন্যপাশে তার ছোট্ট মেয়ে কৃষ্ণা মাকে বাঁচাবার চেষ্টা করতে থাকে ।



এদিকে গ্রামের একনিষ্ঠ সেবিকা জিনি গ্রামের বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাও বটে নাম ভবানী, উনি কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ চিৎকার শুনে দাঁড়িয়ে পড়লেন।



যে বাড়ি থেকে চিৎকার আসছিল ব্যস্ত হয়ে সেই বাড়ীতে প্রবেশ করলেন

দুয়ারের সামনে বাড়ির মালিক ধীরুকে মদ্যপান করা অবস্থায় দেখে ভবানী অবাক হলেন এবং চিৎকার এর কারণ জানতে চাইলে প্রচন্ড রেগে গিয়ে গালিগালাজ দিতে শুরু করলো ধীরু ও ভবানীকে ভেতর প্রবেশ করতে বাধা দিল,


ভবানী ধীরুকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ঘরে প্রবেশ করে


ঘরে প্রবেশ করে ভবানী অবাক হয়ে যায়



ভবানী কে দেখে ওমা চঞ্চল কে ধাক্কা মেরে ফেলে ভবানীর দিকে ছুটে যায়


ভবানীর বুকে উমা জাপটে পড়ে কাঁদতে কাঁদতে তার ইজ্জত বাঁচাতে অনুরোধ করে, এদিকে যুবতী ভবানী কে দেখে এবার চঞ্চলের মন ভবানীর প্রতি চঞ্চল হয়ে উঠে।


তার ভিতরের নরপিশাচী কামনা যেনো পূর্ণতা পেলো।


মাটিতে ফেলে এবার ভবানীর ইজ্জতের উপর হাত দিল চঞ্চল।



ভবানীর আর সহ্য হলোনা চঞ্চলের এই দুঃসাহস, এইসব সহ্য করতে না পেরে ভবানী......


নিজ, উমা ও তার মেয়ে কৃষ্ণার ইজ্জত রক্ষা করতে হাতে দা তুলতে বাধ্য হল ভবানী ।
এবার বিকট রুদ্ররূপ ধারিনী মা কালীর রূপ ধারণ করলো ভবানী সাথে উমা ও তার মেয়ে তিন জনের এক রূপ যেন মা ত্রিশক্তি 🔱।
ভবানী সমস্ত নারীজাতির ইজ্জত নিজ রাগে প্রকাশ করে ও দা বসিয়ে দেয় চঞ্চলের গলায়।



বাকিরা নিজের জান বাঁচাতে দিকবেদিক পালাল ,

সেদিন চঞ্চলের মুণ্ড আলাদা করে ভবানী এমনভাবে জগতের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল যেনো স্বয়ং মা কালী শক্তি 🔱







Post a Comment

Previous Post Next Post